ঢাকাThursday , 24 July 2025
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. ইসলামিক
  7. কবিতা
  8. কলাম
  9. কুমিল্লা জেলার খবর
  10. খেলা
  11. জন্মদিনের শুভেচ্ছা
  12. জাতীয়
  13. জেলার খবর
  14. তথ্যপ্রযুক্তি
  15. দূর্নীতি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কেন স্কুলে পড়ল ফাইটার জেট? ঢাকার ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা ( পর্ব ১ )

Link Copied!

১০

মো:শাহরিয়া, কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা প্রতিনিধি

২১/৭/২০২৫ সোমবার,ঢাকার একে খন্দক,এয়ার বেইজ থেকে একটা,এফ-সেভেন ফাইটার জেট টেকঅফ করেন পাইলট ছিলেন বাংলাদেশ এয়ারফোর্স এর লেফটেন্যান্ট,মোহাম্মদ তৌকীর ইসলাম সাগর কিন্তু টেকঅফ এর কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেটা,আচরে পরে কাছেই থাকা একটি স্কুলের উপর।

স্কুলে তখন শিক্ষার্থীদের পরিক্ষা চলমান,ছিলো
আর যেখানে ফাইটার জেট টা ভেঙে পরেছিলো
সেখানে,পাইভ-টু-সেভেন এর ক্লাস রোম ছিলো মুহূর্তের মধ্যেই আগুনে,ঝলসে যায় সেখানে থাকা ছোট্ট ছোট্ট বাচ্চা গুলো যে দৃশ্য দেখে যে কোন মানুষের হৃদয় কেঁপে উঠবে অফিসে এলে এখনো মৃত্যুর সংখ্যা ২৩ কিন্তু যারা প্রত্যক্ষদর্শী তাদের মতে এর সংখ্যা ২০০ এ বেশি হতে পারে কারণ ওই স্কুলে স্টুডেন্টের সংখ্যা প্রায় দুই হাজার।

কিন্তু প্রশ্ন হল কেন ফাইটার,জেট স্কুলের উপর আচরে পরলো আর যে চিন ফাইটার জেট তৈরি করেছিল তারা এই ফাইটার জেট টি ২০১৩ সালে বাতিল করে দিয়েছিল,তাহলে কেন এত পুরনো একটি ফাইটার আজও বাংলাদেশ এয়ারফোর্স ব্যবহার করছে ঢাকার মতো একটি জনবহুল শহরে কেনো ট্রেনিং চলছিলো আর জানলে সক্ট হবেন।

যখনই ছোট ছোট শিশুদের আহত শরীর দেখে গোটা বিশ্বস্ত স্তগধ হয়ে গেছে তখন এই স্কুলেরই পাশে থাকা কিছু ব্যবসায়ী যেখানে স্কুল থেকে হসপিটালে যেতে ভাড়া লাগতো ২০ টাকা তখন সেখানে ভালো লাগছিল ২০০ টাকার ও বেশি কথা হচ্ছে এটা কি আদৌ মানুষ।

মাত্র এক মাস আগে ভারতের আমিরাবাদ প্লেন দুর্ঘটনায়,প্রায় ২৬০ জন মানুষ মারা গিয়েছিলেন যে দুর্ঘটনার ক্ষত শেরে ওঠার আগেই আবারও এতো বড় একটা এক্সিডেন্ট হলো কিন্তু জানলে আশ্চর্য হবেন ভারত এবং বাংলাদেশে এই দুই দুর্ঘটনার পেছনে এমন এক নেগ্লিজেনছি রয়েছে যেটা কখনো কোন স্টেপ নেওয়া হয়নি

বা বলতে পারেন আজ এই যে এতগুলো শিগুর জীবন গেল এই একটা নেগ্লিজেনছির কারনেই কিন্তু কি সেই নেগ্লিজেনছি।

৫ ই আগস্টের ১৯৮৪ বিমান বাংলাদেশের একটি ফ্লাইট চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা আসছিলো এত খারাপ ওয়েদারের জন্য ঢাকা ও এয়ারপোর্ট থেকে মাত্র ৫০০ কিলোমিটার দূরে একটা জলাভূমিতে সেই প্লেনটা ক্রেস করে যা প্লেনে থাকা প্রায় ৪৯ জন মানুষ সাথে সাথে মারা যায়।

যেটা এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিমান দুর্ঘটনা ছিলো, কিন্তু ২১শে জুলাই যে ফাইটার জেট টি স্কুল এর উপর আচরে পরেছিলো তার মৃত্যুর সংখ্যা এবং ভয়াবহতা হয়তো সেই ১৯৮৪ সালের বিমান দূর্ঘটনাকে ও হার মানাবে।

সেদিন দুপুরে একটার দিকে বাংলাদেশ,
এয়ারফোর্সের লেফটেন্যান্ট মোহাম্মদ তৈাকুল ইসলাম সাগর একটা,চাইনিজ এফসেভেন ফাইটার জেট নিয়ে,ঢাকার এয়ারফোর্স বেইজ থেকে টেক অফ করেন এই দিনেই এই জেটে তিনি একাই ছিলেন,আর এটা ছিল তার ট্রেডিং এর ফাইনাল ফেস মানে তাকে একাই,ফাইটা জেটটা সফলভাবে উরাতে হবে।

কিন্তু টেক অফ এর কিছুক্ষণ,পরেই তকিত বুঝতে পারেন এই জেটটায় কিছু,যান্ত্রিক ট্রুটি রয়েছে
কয়েক মিনিটের মধ্যে,জেটটা তার কন্ট্রোলের বাইরে চলে যায় খুব দ্রুত গতিতে এর উচ্চতা কমতে শুরু করে তৈকী,সাথে সাথে ইয়ার বেইজ এর কন্টাক করে রিয়ার বেজ থেকে থাকে সাথে সাথে ল্যান্ড করার কথা বলা হয়।

আর এর পরই তার সাথে এয়ার বেইজ এর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়,অন্যদিকে এই এয়ার ব্যাচের থেকে ঠিক পাঁচ কিলোমিটার দূরে ছিল ঢাকার উত্তরা এলাকার,মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজ, রিপোর্ট অনুযায়ী তৈকী নিজের জীবন বাঁচানোর বদলে শেষ অব্দি,চেষ্টা করে গেছে এই ফাইটার জেট টা কে,বাঁচাতে বা অন্তত জেট টাকে একটা ফাঁকা জায়গায় ক্রাশ করাতে।

বিস্তারিত নিয়ে থাকছি পরের পর্বে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।