এস এম মনিরুজ্জামান | স্ট্যাফ রিপোর্টার
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মহিলা (সংরক্ষিত) সদস্যকে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি ও আধা-সরকারি সংস্থায় নিয়মিত বেতনে কর্মরত ব্যক্তিদের ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহের কাজে নিয়োগের ক্ষেত্রে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। এমন বিধান থাকলে একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি কীভাবে একই দায়িত্বে তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে নিয়োগ পেলেন—এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী।
জানা যায় পাইকেরছড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মহিলা (সংরক্ষিত) সদস্য রেহানা বেগম ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। তিনি একজন জনপ্রতিনিধি হওয়ায় এ দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধ রয়েছে কি না, কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কীভাবে তাকে নিয়োগ দিয়েছে—তা নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা চলছে।
এলাকাবাসীর দাবি, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা ও যোগ্যতার শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করা হোক।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, বিষয়টি নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া প্রশ্নের জবাব দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত নিয়োগের প্রক্রিয়া, যোগ্যতার শর্ত এবং দায়িত্ব পালনের বৈধতা পরিষ্কার করা। প্রয়োজনে তদন্ত করে নিয়মবহির্ভূত কিছু হয়ে থাকলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়
মধ্য বেগুনবাড়ী, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকা।
Design and Developed by: Mehnaz IT