ঢাকাSunday , 16 August 2026
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. ইসলামিক
  7. কবিতা
  8. কলাম
  9. কুমিল্লা জেলার খবর
  10. খেলা
  11. জাতীয়
  12. জেলা খবর
  13. তথ্যপ্রযুক্তি
  14. দৈনিক জনতার মতামত পরিবার
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বেসরকারিভাবে জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা রেখেছেন: শ্রমিক নেতা এয়াকুব

News Admin
August 16, 2026 11:00 am
Link Copied!

৮১

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের মহাসচিব ও জেওসিএল লেবার ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ এয়াকুব বলেন, সম্প্রতি বেসরকরিখাতে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি নিয়ে কথা-বার্তা হচ্ছে।

জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন- ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। আমরাও তা-ই বলতে চাই- ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। আগে থেকেই দেশে বেসরকারি পর্যায়ে অপরিশোধিত তেল আমদানি করা হচ্ছে।
তবে এবার বেসরকারিখাতে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির ক্ষেত্রে যেন সেই, সবার আগে বাংলাদেশ গুরুত্ব পায়। আমরা চাই, এ বিষয়ে যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে যেন শ্রমিকদের অধিকারের পাশাপাশি দেশ এবং জনগণের কল্যাণ ও স্বার্থ রক্ষা করা হয়।

আমরা আশা করছি, এসব বিবেচনায় নিয়েই বেসরকারি পর্যায়ে তেল আমদানির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। এ বিষয়ে আমাদের কোনো আপত্তি নাই।

জ্বালানিখাতের শ্রমিক-কর্মচারিদের হয়রানি বন্ধ ও দাবি আদায়ের লক্ষ্যে বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আজ দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম নগরীর আগ্রাবাদে যমুনা অয়েল কোম্পানী লিমিটেড (জেওসিএল) কার্যালয় ‘যমুনা ভবনে’ এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেওসিলসহ জ্বালানীখাতের সর্বস্তরের শ্রমিক-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।

তিনি বলেন, শ্রমিক অধিকার খর্ব করে জ¦ালানীখাতকে অস্থিতিশীল করতে চাইছে সরকারে ঘাপটি মেরে থাকা কুচক্রী মহল।

তিনি অভিযোগ করেন, অযাচিত হস্তক্ষেপের মাধ্যমে শ্রমিকদের বিদ্যমান ২২টি সুনির্দিষ্ট সুবিধা কর্তনের পাঁয়তারা, দ্বিপাক্ষিক চুক্তিনামার মাধ্যমে সুযোগ-সুবিধা যুগোপযোগী করায় গড়িমসি, জ¦ালানীখাতে শ্রমআইনকে শ্রমিকবান্ধবের পরিবর্তে শ্রমিকবিরোধী আইনে পরিণত করার তোড়জোড় করা হচ্ছে।

শ্রমিক নেতা মুহাম্মদ এয়াকুব বলেন, ‘সরকার শ্রমিকদের নায্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার কথা বলছে। এজন্য নানামুখি উদ্যোগও গ্রহন করা হচ্ছে। কিন্তু জ¦ালানীখাতে এর উল্টোটাই ঘটছে। বিপিসির আওতাধীন পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, এসএওসিএল, এলপিজিসহ বিভিন্ন কোম্পানিতে শ্রমিকদের বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর পরিবর্তে কমানোর পাঁয়তারা চলছে।

শ্রমিক নেতাদের নানাভাবে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এই খাতের শ্রমিক-কর্মচারীদের নায্য অধিকার আদায়ের পথ রুদ্ধ করার অপচেষ্টাও হচ্ছে। শ্রমিক-কর্মচারীরা জ¦ালানীখাতে শান্তি চায়। কিন্তু আমরা শান্তি চাইলেও সরকারের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা একটি কুচক্রী মহল শ্রমিকদের অধিকার কেড়ে নিয়ে এই খাতে অশান্তি সৃষ্টি করতে চাইছে।

আমরা সাফ জানিয়ে দিতে চাই,জ্বালানিখাতে কাউকে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির সুযোগ দেওয়া হবে না। শ্রমিক-কর্মচারীরা কেবল তাদের নায্য অধিকার চায়। হয়রানী বন্ধ চায়। অযাচিত হস্তক্ষেপমুক্ত পরিবেশ চায়।’

যেসব কারণে দাবি আদায়ের কর্মসূচি- দুই বছর পর পর দ্বিপাক্ষিক চুক্তির ভিত্তিতে বিপিসির তেল বিপণন কোম্পানিগুলোর শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা যুগোপযোগী করা হয়।

কিন্তু সর্বশেষ চুক্তির মেয়াদ ১৯ মাস পার হতে চললেও কোম্পানীসমূহের অবহেলা ও গড়িমসির কারণে নতুন চুক্তি করা যাচ্ছে না। এছাড়া জ¦ালানী ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে গত ১৭ জুন বিপিসির আওতাধীন কোম্পানীগুলোর প্রান্তিক সুবিধা নীতিমালা-২০২৬ (খসড়া) প্রণয়ণের নামে শ্রমিক-কর্মচারিদের বিদ্যমান ২২টি সুবিধা কাটছাঁট করতে চাইছে।

একইভাবে বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬ (অদ্যাবধি সংশোধিত) এর ২ (৬২) ধারায় সংজ্ঞায়িত ‘শিল্প বিরোধ এবং শিল্প বিরোধ নিষ্পত্তি’ সংক্রান্ত ধারা- ২০৯, ২১০ ও ২১১ রহিতকরণের মাধ্যমে শ্রমিক-কর্মচারিদের অধিকার আদায়ে প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করা সিবিএ নেতাদের ক্ষমতা খর্ব করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে।

আবার খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকেই গত ২৬ জুলাই জারিকৃত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে বিপিসির পরিচালককে (অপারেশন) আহবায়ক করে আট সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে তেল বিপণন কোম্পানিগুলোতে বিভিন্ন  শ্রমিক সংগঠনের কার্যক্রম মনিটরিং এবং জবাবদিহির সুপারিশ চাওয়া স্পর্শকাতর এই খাতের শ্রমিকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

এছাড়া বিভিন্ন কোম্পানিতে বেশকিছু সংখ্যক শ্রমিক কোম্পানি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার শ্রমিক হিসেবে ‘নো ওয়ার্ক, নো পে’ ভিত্তিতে খুবই অল্প বেতনে চাকরি করে আসলেও লোকবল নিয়োগের ক্ষেত্রে তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে না।

জেওসিএল লেবার ইউনিয়নের সভাপতি আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন উপস্থিত ছিলেন প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন হচ্ছে জ¦ালানী তেল ও গ্যাসখাতের শ্রমিক-কর্মচারীদের শীর্ষ সংগঠন।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন, পদ্মা অয়েল কোম্পানী লিমিটেড, মেঘনা পেট্রোলিয়াম করপোরেশন লিমিটেড, যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড, ইস্টার্ন রিফাইনারী লিমিটেড, স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানি লিমিটেড ও এলপি গ্যাস লিমিটেডের সিবিএ সংগঠনগুলো নিয়ে সম্মিলিত এই সংগঠন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।