ঢাকাWednesday , 25 March 2026
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. ইসলামিক
  7. কবিতা
  8. কলাম
  9. কুমিল্লা জেলার খবর
  10. খেলা
  11. জন্মদিনের শুভেচ্ছা
  12. জাতীয়
  13. জেলার খবর
  14. তথ্যপ্রযুক্তি
  15. দূর্নীতি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কালিগঞ্জে তেল সিন্ডিকেটের ‘মহাসাগর’: এমপি রবিউলের ঝটিকা অভিযানে ধরাশায়ী অসাধু চক্র

Link Copied!

১৩

হাফিজুর রহমান, কালীগঞ্জ (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধিঃ


সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে তেলের বাজারে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী শক্তিশালী সিন্ডিকেটের থাবা থেকে সাধারণ মানুষকে মুক্তি দিতে মাঠে নেমেছেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য রবিউল বাশার। কালোবাজারে চড়া মূল্যে তেল বিক্রি ও অধিক মুনাফার আশায় মজুদদারির মাধ্যমে যে চরম ভোগান্তি তৈরি করা হয়েছিল, এমপির আকস্মিক হস্তক্ষেপে তাতে স্বস্তি ফিরেছে জনমনে। ​পাম্পে হাহাকার, কালোবাজারে রমরমা ​গত কয়েকদিন ধরে কালিগঞ্জ উপজেলার ফিলিং স্টেশনগুলোতে পেট্রোল ও ডিজেল নিয়ে লঙ্কাকাণ্ড চলছিল। পাম্পে তেল নেই বলে অজুহাত দেওয়া হলেও উপজেলার সরকারি কর্মচারীদের ফ্রিতে, বা নগদ মূল্যে অলিগলি ও পাড়ার দোকানে চড়া মূল্যে মিলছিল লিটার লিটার তেল। গ্রাহকদের অভিযোগ, কালিগঞ্জ পুরনো পাম্পের ম্যানেজার একটি নির্দিষ্ট অসাধু চক্রের যোগসাজশে পাম্পের তেল চলে যাচ্ছিল কালোবাজারিদের হাতে। ওই ম্যানেজারের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এই শক্তিশালী সিন্ডিকেট সাধারণ চালকদের ‘চাতক পাখির’ মতো লাইনে দাঁড় করিয়ে রেখে গোপনে ড্রাম ভর্তি তেল পাচার করছিল বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। ​এমপির ঝটিকা অভিযান ও কঠোর হুশিয়ারি ​জনরোষ যখন তুঙ্গে, তখন বৃহস্পতিবার বেলা ১০টার দিকে সাতক্ষীরা-৩ (কালিগঞ্জ-আশাশুনি) আসনের সংসদ সদস্য রবিউল বাশার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মইনুল ইসলাম খানকে সাথে নিয়ে সরেজমিনে তদন্তে নামেন। ওই সময় কালিগঞ্জ ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, পর্যাপ্ত মজুদ থাকা সত্ত্বেও ম্যানেজার মাসুদ ও তার কর্মীরা কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে ফিরিয়ে দিচ্ছে। ​এমপি রবিউল বাশার তাৎক্ষণিক ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং জনসম্মুখে ঘোষণা দেন

​”জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে পকেটে টাকা ভরার দিন শেষ। এরপর যদি কোনো পাম্পে তেল থাকা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হয়, তবে ওই পাম্প সরাসরি সিলগালা করে দেওয়া হবে এবং অসাধু ম্যানেজার ও কর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ​তার উপস্থিতিতেই লুকানো মজুদ থেকে গ্রাহকদের তেল বিতরণ শুরু হলে উপস্থিত সাধারণ মানুষের মাঝে আনন্দের জোয়ার বয়ে যায়। ​সিন্ডিকেটের শেকড় অনেক গভীরে ​অভিযোগ রয়েছে, ম্যানেজার ছত্রছায়ায় একদল অসাধু কর্মী ও স্থানীয় প্রভাবশালী মিলে এই কৃত্রিম সংকট টিকিয়ে রাখছিল। অনেক সময় পাম্পে তেলের গাড়ি ঢুকলেও ‘তেল শেষ’ বলে সাধারণ মানুষকে তাড়িয়ে দিয়ে মধ্যরাতে ড্রাম ভরে তেল পাচার করা হতো। গত মঙ্গলবার বিষ্ণুপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম পারুলগাছা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৩ ব্যারেল পেট্রোল ও ১ ব্যারেল অক্টেন উদ্ধার করেন, যা এই সিন্ডিকেটের ভয়াবহতারই প্রমাণ দেয়। ​প্রশাসনের নতুন নির্দেশনা ​তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। হেলমেট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া কোনো বাইকারকে তেল না দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে সচেতন মহলের দাবি, মাঠ পর্যায়ের তেলের দোকানগুলোতে নিয়মিত অভিযান না চালালে এবং ম্যানেজার মতো কালোবাজারিদের মূল হোতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না দিলে এই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী হবে না।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়