মো:শাহরিয়া,কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা প্রতিনিধি
গত পর্বে আপনাদেরকে বলেছিলাম কিছু লোভী ব্যবসায়ীদের কথা যারা এই এক্সিডেন্টের ফায়দা তোলার জন্য জিনিসপত্র দাম বাড়িয়ে দিয়েছিল ২০ টাকার ভাড়া ২০০ টাকা, ২৫ টাকার পানি ৬০০ টাকায় বিক্রি নামে মানুষকে ঠকিয়েছিলো।
এবার বলবো মহীয়সী নারীর ব্যাপারে এই স্কুলের এক শিক্ষিকা মাহিরিন চৌধুরী জিনি আপনাদের ক্লাস নিচ্ছিলেন আগুনে তার শরীর ও পুরে জায়
কিন্তু তারপরও তিনি প্রায় ২০ জন ছাত্রের জীবন বাঁচান এবং তাদের সুরক্ষিতভাবে বাইরে নিয়ে আসে আর শেষ পর্যন্ত তিনি নিজেই মারা যান।
আশেপাশে থাকা বহু মানুষ তখন তখন ছাত্রদের সাহায্যে এগিয়ে আসে,আর হসপিটালগুলো তো বহু স্বেচ্ছাসেবী হতে সাধারন মানুষ রক্ত দিতে এগিয়ে আসে এবং কি তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ রাও
এগিয়ে আসেন।
কিন্তু কেনো এই ফাইটারজেট ভেঙ্গে পড়ল ইন্টারসার্ভিস পাবলিক রিলেশন বা আই এস পি আর,এর মতে এটা বাংলাদেশের F7 BIG FITER JET তাদের মতে যান্ত্রিক ঠ্রোটির কারণে এই ফাইটাজ একটা ক্রেশ করেছিল।
আজ থেকে প্রায় ৬০ বছর আগে চীনের চেং উড্রো করপোরেশন ১৯৬৫ সালে এই ফাইটার জেট তৈরি করেছে এই জেটের ইন্টারন্যাশনাল নাম j7 কিন্তু বাংলাদেশের এয়ারফোর্সে এই জেটের নাম করণ করা হয়েছে,F7।
তবে এটা কিন্তু চায়নার নিজস্ব টেকনোলজি নয় এটা রাশিয়ার Mig 21, এর লাইসেন্ট ভার্সন
এটা একটা থার্ড জেনারেশনের ভার্সন যেটা এয়ার টু এয়ার এটার্ক এরিয়াল বম্ডিং এবং এয়ারে ডিফেন্স এর কাজে ব্যবহার করা হয়।
বাংলাদেশে ১৯৯৮ সালে প্রথম বার ১২ F7, কিনে ছিলো চীনের থেকে এর পর ২০০১ এবং ২০১৩ এর মধ্যে আরো ২৮ টি F7, কিনে ছিলো এই মুহূর্তে বাংলাদেশের কাছে প্রায় ৪০ টা F7, ফাইটারজেট রয়েছে কিন্তু যে সময় ফাইটারজেট গুলো কেনা হয়েছিল তখন টেকনোলজি খুব ভালোই ছিল।
কিন্তু বর্তমানে যেখানে এত উন্নতম এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম রয়েছে ফিফ এবং 5, জেনারেশন এয়ার
ডিফেন্স সিস্টেম রয়েছে সেখানে দাঁড়িয়ে F7, আজকের দিনে অনেকটাই দুর্বল এবং কিচেন 2013 সালে F7এর আমদানি বন্ধ করে দিয়েছিল
এবং রিপোর্ট মরতে এর শেষ ব্যাচের কিছু ফাইটারজেট বাংলাদেশে কিনেছিল।
আজকের দিনে বাংলাদেশ পাকিস্তান জিম্বাবুয়ে নাইজেরিয়া ইরান নর্থ কোরিয়া সহ বেশ কিছু দেশ এই ফাইটারজেট ব্যবহার করছি।
তবে F7, এর যে দুর্ঘটনা আমি তো আজকে নতুন নয় গত দু মাস আগে ২৫ শে মে জিম্বাবুয়ের একটি F7, ফাইটারজেট ক্রেশ করেছেন আর এতে পাইলট নিজ মারা যান এবং কি, জুন ২০২২ এ চীনের চিনজিংপ্রবেনসে একটা F7 একটা বাড়ির উপর আচরে পরে –
( মে – ২০২২ ) ২ – জন ইরানি পাইল্ট F7,দুর্ঘটনায় মারা যান
( জানুয়ারি – ২০২২ ) ২-জন পাকিস্তানি পাইল্ট F7, দুর্ঘটনায় মারা যান
( ২০০৫ হতে ২০২৫ ) পর্যন্ত ২০ বছরে প্রায় ১১টা F7,ফাইটারজেট ক্রেশ করেছেন
যার মধ্যে চীনের ফাইটারজেট ছিলো ৭ টা রাশিয়ার ছিলো ৩ টা এবং চেকও স্লোভাগিয়ার ১ টা ছিলো এক কথায় বলা যায় F7 ফাইটাজেট গুলোর ট্রেট রেকর্ড তেমন একটা ভালো নয় মাঝে মাঝেই ফাইটার গুলো ক্রেশ হয়ে যায়।
বিস্তারিত নিয়ে থাকছি ৩য় পর্বে
