দেবিদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: মোঃ আল-আমিন
কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার মোহনা আবাসিক এলাকায় এক বাড়িওয়ালিকে হত্যার পর মরদেহ টুকরো টুকরো করে ১১টি পলিথিনে মুড়িয়ে বাসার পেছনের গলিতে ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছে এক ভাড়াটিয়ার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয় জনতা সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সোপর্দ করেছে বলে জানা গেছে।
শনিবার (৮ আগস্ট) মোহনা আবাসিক এলাকায় এ ঘটনা জানাজানি হলে পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত নারী ওই এলাকার একটি বাড়ির মালিক ছিলেন। তার বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকা এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে তাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। হত্যার পর মরদেহ টুকরো করে ১১টি পলিথিনে মুড়িয়ে বাসার পেছনের গলিতে ফেলে রাখা হয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
পরে মরদেহের অংশবিশেষ দেখতে পেয়ে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে জড়ো হন এবং সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে আটক করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের অংশগুলো উদ্ধার এবং আটক ব্যক্তিকে হেফাজতে নেওয়ার ব্যবস্থা করে বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক এবং হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করা হোক।
তবে আটক ব্যক্তি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত কি না এবং কী কারণে এ নৃশংস ঘটনা ঘটেছে, তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।