নিজস্ব প্রতিবেদন
ঢাকা | বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি অবৈধ গ্যাস ব্যবহার, অনুমোদনবহির্ভূত সংযোগ ও বকেয়া পরিশোধ না করায় একাধিক গ্রাহকের গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে। গত ৭ ও ৮ জুলাই ২০২৫ তারিখে তিতাস গ্যাসের ভিজিল্যান্স ও রাজস্ব বিভাগ পরিচালিত একাধিক অভিযানে এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
তিতাস গ্যাসের আঞ্চলিক ভিজিল্যান্স বিভাগ-নারায়ণগঞ্জের আওতায় জোবিঅ-মুন্সিগঞ্জ এলাকায় গত ৭ জুলাই (সোমবার) রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে অভিযান চালানো হয়। এ সময় দুই গ্রাহক প্রতিষ্ঠান — মেসার্স আল মদিনা বোর্ড মিলস এবং মেসার্স বিসমিল্লাহ বোর্ড মিলস, মিরেরশ্বর, পঞ্চসার এলাকায় মিটার বাইপাস করে গ্যাস ব্যবহার করতে দেখা যায়।


অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার করায় তাৎক্ষণিকভাবে দুটি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। পাশাপাশি অবৈধ বাইপাস লাইনগুলো কিলিং ও ক্যাপিং করা হয়। উক্ত ঘটনায় মুন্সিগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (GD) করা হয়েছে।
৮ জুলাই (মঙ্গলবার) মিরপুর এলাকায় তিতাস গ্যাসের ভিজিল্যান্স টিম পরিদর্শনকালে তিনটি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে:এডভান্স অ্যাট্যায়ার (৩০৪-০০০২৯৯): অনুমোদিত ২৩৫ কেজির পরিবর্তে ৫০০ কেজি বয়লারে গ্যাস ব্যবহার করায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং ইনলেট ভালভে প্লাস্টিক সিল লাগানো হয়। টিএমএস গার্মেন্টস লিমিটেড (২০৪-০০০১০৮০): অনুমোদিত ১৫০ কেজি বয়লারের পরিবর্তে ৩৫০ কেজি বয়লার ব্যবহার করায় একই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। আবাসিক গ্রাহক মো. হোসেন (গ্রা.সং-১০৪-৫৬২৪৬): সাড়ে নয় তলা ভবনে অনুমোদিত ৩টি ডাবল চুলার স্থলে ২৬টি চুলা ব্যবহারের প্রমাণ মেলে। অতিরিক্ত ২৩টি চুলার জন্য সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে প্লাস্টিক সিল স্থাপন করা হয়।


তিতাস গ্যাসের ভালুকা ও কিশোরগঞ্জ অঞ্চলের রাজস্ব শাখা কর্তৃক বিশেষ অভিযানে ৩টি আবাসিক গ্রাহকের ৩টি ডাবল চুলার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এ সময় দুইজন গ্রাহকের কাছ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে মোট ৮৮,৭৪০ টাকা বকেয়া আদায় করা হয়।
এছাড়া, মেসার্স মেগা ইয়ার্ণ ডায়িং মিলস লিমিটেড, সারদাগঞ্জ, কামিশপুর-এর গ্যাস বিল বকেয়া থাকার কারণে উভয় রানের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি এর মিডিয়া ও জনসংযোগ বিভাগের ব্যবস্থাপক মোঃ আল আমিন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়,”অবৈধ গ্যাস ব্যবহার, অনুমোদন অতিরিক্ত স্থাপনায় গ্যাস গ্রহণ এবং বিল বকেয়া রেখে সংযোগ ব্যবহারের বিরুদ্ধে আমাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
