হুমায়ুন কবির | বিশেষ প্রতিনিধি | নান্দাইল, ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার প্রবীণ রাজনীতিক, প্রথিতযশা শিক্ষক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবু দীপক চন্দ্র রায়-এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং নান্দাইল উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) এক শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন,
“বাবু দীপক চন্দ্র রায় আমার মরহুম পিতা, সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ারুল হোসেন খান চৌধুরীর একজন অত্যন্ত বিশ্বস্ত রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ছিলেন। নান্দাইলের রাজনীতি ও শিক্ষা বিস্তারে তাঁর অসামান্য অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।”
তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
জীবনাবসান ও শেষকৃত্য:-
বার্ধক্যজনিত কারণে মঙ্গলবার বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে নান্দাইল পৌর সদরের নিজ বাসভবনে ৮৬ বছর বয়সে পরলোকগমন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা দীপক চন্দ্র রায়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৩ পুত্র, ২ কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও ছাত্রছাত্রী রেখে গেছেন। তাঁর এই প্রয়াণে পুরো নান্দাইল অঞ্চলে রাজনৈতিক ও শিক্ষক সমাজে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে।
মঙ্গলবার রাতেই উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালাহ উদ্দিন মাহমুদের নেতৃত্বে এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা (গার্ড অব অনার) প্রদান করা হয়। পরে রাত ৯টায় চন্ডীপাশা ইউনিয়নের খামারগাঁও গ্রামে নিজ বাড়ির শ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।
বর্ণাঢ্য কর্মজীবন:-
* শিক্ষকতা: তিনি চন্ডীপাশা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রবীণ শিক্ষক ছিলেন।
* রাজনৈতিক পরিচয়: তিনি নান্দাইল পৌর বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি এবং উপজেলা বিএনপি’র প্রবীণ রাজনীতিক ছিলেন।
* পরিবার: তিনি নান্দাইল উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক ও উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি বাবু পল্লব চন্দ্র রায়ের পিতা।
শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, শিক্ষক সমাজের প্রতিনিধি এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে এই গুণী মানুষের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

