ঢাকাWednesday , 19 August 2026
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. ইসলামিক
  7. কবিতা
  8. কলাম
  9. কুমিল্লা জেলার খবর
  10. খেলা
  11. জাতীয়
  12. জেলা খবর
  13. তথ্যপ্রযুক্তি
  14. দৈনিক জনতার মতামত পরিবার
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কুমিল্লার শিক্ষা বিস্তারে আফজল খান: প্রতিষ্ঠান গড়ার মধ্য দিয়ে যে উত্তরাধিকার-রয়েছে প্রজন্মের নানা স্বপ্ন।

News Admin
August 19, 2026 4:30 pm
Link Copied!

৯০

মোঃ শাহজাহান বাশার

একজন মানুষের মূল্যায়ন শুধু তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়, পদ-পদবি কিংবা ব্যক্তিগত কর্মজীবনের হিসাব দিয়ে সম্পূর্ণ হয় না। সময়ের পরিক্রমায় একজন মানুষের সবচেয়ে স্থায়ী পরিচয় হয়ে উঠতে পারে তাঁর রেখে যাওয়া প্রতিষ্ঠান, মানুষের জন্য করা কাজ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য তৈরি করে যাওয়া সুযোগ। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে কুমিল্লার প্রয়াত অধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট আফজল খানের কর্মজীবনকে দেখলে শিক্ষা বিস্তারে তাঁর উদ্যোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে সামনে আসে। রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে তাঁর গড়ে তোলা বা উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আজও কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এবং এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, পরিবার ও নতুন প্রজন্মের নানা স্বপ্ন।

১৯৪৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন আফজল খান। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি বিভিন্ন জনসম্পৃক্ত কর্মকাণ্ডে যুক্ত হন। ১৯৬৫ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রসংসদে ছাত্রলীগের প্যানেল থেকে ভিপি নির্বাচিত হন। পরবর্তী সময়ে ছয় দফা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭০ সালের নির্বাচন এবং মুক্তিযুদ্ধের সময় সংগঠকের ভূমিকা পালন করেন বলে বিভিন্ন প্রকাশিত জীবনী ও সংবাদ প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। স্বাধীনতার পর কুমিল্লার সামাজিক, রাজনৈতিক, ব্যবসায়িক ও নাগরিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয়তা বিস্তৃত হয়। কুমিল্লা পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান, কুমিল্লা শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সহসভাপতির মতো বিভিন্ন দায়িত্বও পালন করেন তিনি।

তবে তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনের একটি উল্লেখযোগ্য ও দীর্ঘস্থায়ী অধ্যায় ছিল শিক্ষা বিস্তারের উদ্যোগ। স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র ও প্রকাশিত প্রতিবেদনে আফজল খানের প্রতিষ্ঠা, উদ্যোগ বা সংশ্লিষ্টতায় কুমিল্লা ও আশপাশে একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার কথা বলা হয়েছে। কোনো কোনো সূত্রে এই সংখ্যা প্রায় ১৯টি, আবার কিছু প্রতিবেদনে ভিন্ন সংখ্যাও পাওয়া যায়। ফলে সুনির্দিষ্ট সংখ্যা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের সরকারি নথি ও প্রতিষ্ঠাকালীন দলিল যাচাই করা প্রয়োজন। তবে সংখ্যাগত এই ভিন্নতার মধ্যেও তাঁর শিক্ষা উদ্যোগের বিস্তৃতি সম্পর্কে একটি বিষয় স্পষ্ট—এসব উদ্যোগের মধ্যে সাধারণ শিক্ষা, নারী শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা, বাণিজ্য শিক্ষা, আইন শিক্ষা ও প্রাথমিক শিক্ষার মতো বিভিন্ন ক্ষেত্র অন্তর্ভুক্ত ছিল।

আফজল খানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকায় কুমিল্লা মডার্ণ হাই স্কুল, বঙ্গবন্ধু ‘ল’ কলেজ, আফজল খান কারিগরি ও কমার্স কলেজ, শেখ ফজিলাতুন্নেছা কারিগরি কলেজ, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মডার্ণ হাই স্কুল, জালুয়াপাড়া আফজল খান উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, নার্গিস আফজল উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, নার্গিস আফজল কারিগরি ও কমার্স কলেজ, নার্গিস আফজল কিন্ডারগার্টেনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করা হয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর ধরন ও বিস্তৃতি বিবেচনায় নিলে বোঝা যায়, শিক্ষা নিয়ে তাঁর উদ্যোগ কোনো একটি স্তর বা নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি নারী শিক্ষা, কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষা, বাণিজ্য শিক্ষা এবং আইন শিক্ষার মতো ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার চেষ্টা ছিল।

কুমিল্লা মডার্ণ হাই স্কুল তাঁর শিক্ষা উদ্যোগের অন্যতম পরিচিত উদাহরণ। বিভিন্ন প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদনে বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৯৩ সাল এবং আফজল খানকে প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সময়ের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি কুমিল্লার পরিচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি হিসেবে জায়গা করে নেয়। একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গুরুত্ব শুধু তার ভবন বা শ্রেণিকক্ষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে বহু শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন, শিক্ষকতার কর্মসংস্থান, অভিভাবকদের প্রত্যাশা এবং একটি প্রজন্মের ভবিষ্যৎ। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে মডার্ণ হাই স্কুলকে আফজল খানের শিক্ষা-উদ্যোগের একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা যায়।

আইন শিক্ষার ক্ষেত্রেও তাঁর উদ্যোগের কথা বিভিন্ন স্মৃতিচারণ ও প্রকাশিত লেখায় পাওয়া যায়। কুমিল্লায় বঙ্গবন্ধু ‘ল’ কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের সঙ্গে তাঁর নাম যুক্ত রয়েছে। একটি অঞ্চলে আইন শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি শুধু পেশাজীবী তৈরির ক্ষেত্রেই ভূমিকা রাখে না; এর মাধ্যমে নাগরিক অধিকার, আইন ও বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে সচেতনতার পরিধিও বাড়তে পারে। সে কারণে কুমিল্লায় আইন শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের উদ্যোগকে স্থানীয় শিক্ষা ইতিহাসের একটি পৃথক অধ্যায় হিসেবেও বিবেচনা করা যায়।

নারী শিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রেও তাঁর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। একটি সমাজের সার্বিক উন্নয়নে নারী শিক্ষার গুরুত্ব যেমন অনস্বীকার্য, তেমনি বর্তমান সময়ে দক্ষতা ও কর্মমুখী শিক্ষার গুরুত্বও ক্রমেই বাড়ছে। কারিগরি ও বাণিজ্য শিক্ষার মাধ্যমে তরুণদের দক্ষতা অর্জন, পেশাগত সক্ষমতা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। এই বাস্তবতার আলোকে আফজল খানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কারিগরি ও কমার্সভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্যোগকে কুমিল্লার শিক্ষা বিস্তারের বৃহত্তর ধারার মধ্যে মূল্যায়ন করা যেতে পারে।

একজন মানুষের সবচেয়ে বড় স্মৃতিস্তম্ভ সবসময় ইট-পাথরের কোনো ভবন হয় না। অনেক সময় মানুষের হাতে গড়ে ওঠা একটি প্রতিষ্ঠানই হয়ে ওঠে তাঁর সবচেয়ে স্থায়ী স্মারক। একটি বিদ্যালয়ে প্রতিদিন নতুন শিক্ষার্থী আসে, শিক্ষক পাঠদান করেন, অভিভাবকের প্রত্যাশা তৈরি হয় এবং একটি পরিবারের ভবিষ্যৎ বদলে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। একটি কলেজের ক্ষেত্রেও একইভাবে উচ্চশিক্ষা, দক্ষতা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক অগ্রগতির নতুন সুযোগ তৈরি হয়। এই অর্থে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার প্রভাব একজন মানুষের জীবদ্দশার অনেক পরেও সমাজে কার্যকর থাকতে পারে।

২০২১ সালের নভেম্বরে আফজল খানের মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুর পরও তাঁর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ব্যক্তি হিসেবে তিনি আর নেই, কিন্তু তাঁর উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এখানেই একটি প্রাতিষ্ঠানিক উত্তরাধিকারের গুরুত্ব—ব্যক্তির জীবন শেষ হলেও একটি কার্যকর প্রতিষ্ঠান সমাজে তার ভূমিকা চালিয়ে যেতে পারে।

তবে কোনো ব্যক্তির অবদান মূল্যায়নের ক্ষেত্রে শুধু প্রশংসা বা স্মৃতিচারণ যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন তথ্য, দলিল ও গবেষণা। আফজল খানের শিক্ষা-উদ্যোগের একটি পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাকাল, সরকারি অনুমোদন, প্রতিষ্ঠাকালীন ভূমিকা, জমির মালিকানা ও উৎস, শিক্ষক-শিক্ষার্থী সংখ্যা, অবকাঠামো, শিক্ষার মান, বর্তমান পরিচালনা কাঠামো এবং দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্রম যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কোনো প্রতিষ্ঠানে তাঁর ভূমিকা ঠিক কী ছিল—প্রতিষ্ঠাতা, উদ্যোক্তা, পৃষ্ঠপোষক, দাতা নাকি অন্য কোনো পর্যায়ের সহযোগী—সেটিও সংশ্লিষ্ট নথির ভিত্তিতে নির্ধারণ করা জরুরি। কারণ ইতিহাসের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মূল্যায়ন তৈরি হয় যাচাইযোগ্য তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে।

আফজল খানের রাজনৈতিক পরিচয় ও কর্মকাণ্ড নিয়ে মানুষের ভিন্ন ভিন্ন মত থাকতে পারে। সেটি স্বাভাবিক এবং একটি গণতান্ত্রিক সমাজে মতের ভিন্নতা থাকবেই। কিন্তু কোনো ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয় এবং তাঁর শিক্ষা বা সামাজিক অবদানকে পৃথকভাবে মূল্যায়ন করা সম্ভব। কুমিল্লার শিক্ষা বিস্তারে তাঁর উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করার উদ্দেশ্য কোনো রাজনৈতিক দল, মতাদর্শ বা ব্যক্তির পক্ষে কিংবা বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া নয়; বরং একজন মানুষের কর্মজীবনের একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্র—শিক্ষা—কীভাবে স্থানীয় সমাজে প্রভাব ফেলেছে, সেটি তথ্যের আলোকে তুলে ধরা।

একজন মানুষের ভালো কাজের মূল্যায়ন তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়ের ওপর নির্ভরশীল হওয়া উচিত নয়। একইভাবে কাউকে মূল্যায়নের সময় তাঁর কাজের সীমাবদ্ধতা, বিতর্ক বা প্রশ্ন থাকলে সেগুলোও তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে আলোচনার সুযোগ থাকা প্রয়োজন। নিরপেক্ষ ইতিহাসের সৌন্দর্য এখানেই—যেখানে প্রশংসা যেমন তথ্যভিত্তিক হয়, সমালোচনাও তেমনি হয় প্রমাণের ভিত্তিতে।

সময় পেরিয়ে যায়, মানুষ চলে যায়, রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলে যায়; কিন্তু একটি প্রজন্মকে শিক্ষিত করার উদ্যোগ বহু প্রজন্ম ধরে বেঁচে থাকতে পারে। একটি বিদ্যালয়ে যখন নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়, একটি কলেজে যখন তরুণ-তরুণীরা উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়, কোনো ছাত্রী যখন শিক্ষার মাধ্যমে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন দেখে কিংবা কোনো শিক্ষার্থী যখন কারিগরি শিক্ষা নিয়ে কর্মজীবনে প্রবেশ করে—তখন একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত সামাজিক মূল্য তৈরি হয়।

কুমিল্লার শিক্ষা বিস্তারে আফজল খানের ভূমিকা মূল্যায়নের ক্ষেত্রেও তাই মূল প্রশ্ন হওয়া উচিত—তিনি কী প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলেন, সেগুলোর উদ্দেশ্য কী ছিল, সেগুলো কীভাবে পরিচালিত হয়েছে, কতটা কার্যকর হয়েছে এবং দীর্ঘমেয়াদে সমাজে কী ধরনের প্রভাব ফেলেছে। এসব প্রশ্নের উত্তর আরও নির্ভুলভাবে জানতে প্রয়োজন দলিলভিত্তিক গবেষণা ও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ। সেই গবেষণা সম্পন্ন হলে কুমিল্লার শিক্ষা ইতিহাসে আফজল খানের অবদান আরও স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।

রাজনীতির ঊর্ধ্বে, ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের বাইরে এবং দল-মতের সীমারেখা অতিক্রম করে কোনো মানুষের ভালো কাজকে মূল্যায়ন করাই হতে পারে একটি সুস্থ সমাজের পরিচয়। কুমিল্লার শিক্ষা বিস্তারে আফজল খানের অবদানও সেই নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গিতেই দেখা প্রয়োজন—যেখানে ব্যক্তি নয়, তাঁর কাজ, প্রতিষ্ঠান এবং মানুষের জন্য তৈরি করে যাওয়া সুযোগই হবে মূল্যায়নের প্রধান ভিত্তি।

লেখকের বক্তব্য: এই লেখা কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে প্রচারণা নয়। লেখকের কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা নেই। সকল দল ও মতের মানুষের ভালো ও জনকল্যাণমূলক কাজের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই কুমিল্লার শিক্ষা বিস্তারে অ্যাডভোকেট আফজল খানের অবদানকে একটি নিরপেক্ষ, সর্বজনীন ও তথ্যনির্ভর দৃষ্টিকোণ থেকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।