মোঃ মহিবুল্লাহ মেহেদী
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি, গাইবান্ধা
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১৫ নম্বর কাপাসিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে আর্কশিক নদীর তীব্র ভাঙনে প্রায় ৯০ থেকে ১০০টি পরিবার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনে বসতভিটা হারিয়ে অনেক পরিবার এখন চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ভোরের পাখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে নদীভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। নদীর তীব্র স্রোতে প্রতিনিয়ত ভাঙন বাড়তে থাকায় নতুন করে আরও বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ভাঙন পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আজ তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় সংসদ সদস্যের নির্দেশনায় নদীভাঙন প্রতিরোধে প্রায় ২ হাজার জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ১০০ পরিবারের মাঝে খিচুড়ি বিতরণ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুন্দরগঞ্জ উপজেলা শাখার সেক্রেটারি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ সামিউল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যুব ও মানবসম্পদ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ মুজাহিদুল ইসলামসহ স্থানীয় জামায়াতের নেতাকর্মীরা।
স্থানীয়রা জানান, জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলায় আপাতত ভাঙন প্রতিরোধে কিছুটা আশার সৃষ্টি হয়েছে। তবে স্থায়ীভাবে নদীভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। তা না হলে আরও বহু পরিবার বসতভিটা ও সহায়-সম্বল হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি, নদীভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হোক।

