ঢাকাMonday , 2 November 2026
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. ইসলামিক
  7. কবিতা
  8. কলাম
  9. কুমিল্লা জেলার খবর
  10. খেলা
  11. জাতীয়
  12. জেলা খবর
  13. তথ্যপ্রযুক্তি
  14. দৈনিক জনতার মতামত পরিবার
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ওএমএসের আটা নিতে দীর্ঘ লাইন, বরাদ্দ শেষ হওয়ায় খালি হাতে ফিরছেন অনেকে

Md. Shahriya Sikder
November 2, 2026 11:38 am
Link Copied!

২৫

জহুরুল ইসলাম জুয়েল, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি:

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় খোলাবাজারে বিক্রয় (ওএমএস) কর্মসূচির আওতায় স্বল্পমূল্যে আটা কিনতে গিয়ে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। প্রতিদিনের বরাদ্দের তুলনায় ক্রেতার সংখ্যা বেশি হওয়ায় দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও অনেকেই আটা পাচ্ছেন না। শেষ পর্যন্ত খালি হাতে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে তাদের।

সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে সাটুরিয়া উপজেলার বিভিন্ন ওএমএস বিক্রয়কেন্দ্রে এমন চিত্র দেখা যায়। বাজারের তুলনায় কম দামে আটা পাওয়ার আশায় ভোর থেকেই নারী-পুরুষ লাইনে দাঁড়ান। কিন্তু নির্ধারিত বরাদ্দ শেষ হয়ে যাওয়ায় লাইনের পেছনে থাকা অনেক ক্রেতার অপেক্ষা শেষ হয় হতাশায়।

সরকারি নির্ধারিত ১২০ টাকায় পাঁচ কেজি আটা কিনতে পেরে স্বস্তি প্রকাশ করেন চর সাটুরিয়া এলাকার এক নারী ক্রেতা। তিনি বলেন, বাজারে আটার দাম বেশি হওয়ায় ওএমএসের আটা তাদের মতো স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য অনেকটা সহায়ক।

তবে একই সুবিধা পাননি রাধানগর এলাকা থেকে আসা এক বয়স্ক নারী। দুই ঘণ্টারও বেশি সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও আটা না পেয়ে তাকে ফিরে যেতে হয়েছে। তার মতো অন্তত অর্ধশত মানুষ সেদিন আটা না পেয়ে বাড়ি ফিরেছেন বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও পণ্য না পাওয়ায় তাদের সময় ও শ্রম দুটোই নষ্ট হচ্ছে। বিশেষ করে বয়স্ক নারী ও দিনমজুরদের জন্য এই অপেক্ষা আরও কষ্টকর হয়ে উঠছে।

সংশ্লিষ্ট ওএমএস ডিলার জানান, তার বিক্রয়কেন্দ্রে প্রতিদিন এক মেট্রিক টন বা এক হাজার কেজি আটা বরাদ্দ দেওয়া হয়। পাঁচ কেজি করে বিতরণ করলে সর্বোচ্চ ২০০ জন ক্রেতাকে আটা দেওয়া সম্ভব। অথচ প্রতিদিনই এর দ্বিগুণের বেশি মানুষ কেন্দ্রে উপস্থিত হন। ফলে চাহিদা অনুযায়ী সবাইকে আটা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি জানান তিনি।

এ বিষয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জানান, ওএমএস কর্মসূচির মাধ্যমে জেলার প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের মানুষ সাশ্রয়ী মূল্যে চাল ও আটা পাচ্ছেন। কর্মসূচির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও খাদ্য বিভাগের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। পাশাপাশি জেলা খাদ্যগুদামগুলোতে চাল ও আটার পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।

তবে সাধারণ মানুষের দাবি, শুধু গুদামে খাদ্যপণ্যের পর্যাপ্ত মজুত থাকলেই হবে না, বিক্রয়কেন্দ্রগুলোতে দৈনিক বরাদ্দও বাড়াতে হবে। তাহলে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও খালি হাতে ফিরে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাবেন নিম্ন আয়ের মানুষ।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।